আজকের নামাজের সময়সূচী ২০২৩ : Today’s Prayer Schedule

আজ সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
prayer-image
সেহরির শেষ সময় - ভোর ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:০৩ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • জোহর
  • আসর
  • মাগরিব
  • ইশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৫:১২ পূর্বাহ্ণ
  • দুপুর ১২:১৫ অপরাহ্ণ
  • বিকেল ৪:২১ অপরাহ্ণ
  • সন্ধ্যা ৬:০৩ অপরাহ্ণ
  • রাত ৭:১৭ অপরাহ্ণ
  • সকাল ৬:২৪ পূর্বাহ্ণ

এই ওয়েবপেইজ থেকে আপনি আজকের নামাজের সময়সূচী (Ajker Namajer Somoy Suchi), সেহরি ও ইফতার এর সময়সূচি জানতে পারবেন। এখানে ড্রপডাউন মেনু থেকে বাংলাদেশের যেকোন জেলার নামাজ, সেহরি ও ইফতারের সময় দেখতে পারেন।

প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী উপরের ছকে দেওয়া হয়েছে।

নামাজের সময়সূচী নির্ধারণের পদ্ধতি

নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। নামাজের সময়সূচী নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। বাংলাদেশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়। এটিই ইসলামের প্রাচীনতম পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে, নামাজের সময়সূচী নির্ধারণের জন্য নিম্নলিখিত সূত্রগুলি ব্যবহার করা হয়:

  • ফজরের সময়: সূর্যের কেন্দ্র দিগন্তের ১৮ ডিগ্রি নিচে হওয়ার সময়।
  • যোহরের সময়: সূর্যের কেন্দ্র মাথার উপরে থাকার পর হেলে পড়ার সময়।
  • আসরের সময়: সূর্যের কেন্দ্র মাথার উপরে থাকার পর হেলে পড়ার পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত।
  • মাগরিবের সময়: সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যের লাল আভা বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত।
  • ইশার সময়: সূর্যের লাল আভা বিলুপ্ত হওয়ার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত।

আজানের দোয়া

বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাযিহিদ দা’ওয়াতিত্তা-ম্মাতি ওয়াসসালা-তিল ক্বা-ইমাতি আ-তি সায়্যেদানা মুহাম্মাদানিল ওয়াসী-লাতা ওয়াল ফাদ্বী-লাতা ওয়াদ দারাজাতার রাফী-‘আতা ওয়াবআসহু মাক্বা-মাম মাহমূদানিল্লাযী ওয়া’আদতাহূ ওয়ারযুক্বনা শাফা-‘আতাহূ ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাতি ইন্নাকা লা-তুখলিফুল মী-‘আদ।

বাংলা অর্থঃ হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের রব্ব! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ওসীলা তথা জান্নাতের একটি স্তর এবং ফযীলত তথা সকল সৃষ্টির উপর অতিরিক্ত মর্যাদা দান করুন। আর তাঁকে মাকামে মাহমূদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছে দিন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন। নিশ্চয় আপনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

নামাজের গুরুত্ব

নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি। এটি মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। নামাজের মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের প্রভুর সাথে যোগাযোগ করেন, তার কাছে ক্ষমা চান, তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন এবং তার কাছে অনুগ্রহ প্রার্থনা করেন।

নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে কুরআনে অনেক আয়াত রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আল্লাহ তা’আলা বলেন:

“নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের জন্য নির্ধারিত সময়ে ফরজ।” (সূরা নিসা : ১০৩)

“হে মুমিনগণ! তোমরা নামাজ কায়েম কর, জাকাত দাও এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু কর।” (সূরা বাকারা : ৪৩)

নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে হাদিসেও অনেক বর্ণনা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

“নামাজ মুসলমানের স্তম্ভ। যে ব্যক্তি নামাজ প্রতিষ্ঠা করে সে স্তম্ভের উপর দাঁড়ায় এবং যে ব্যক্তি নামাজ ত্যাগ করে সে স্তম্ভ থেকে পতিত হয়।” (বুখারি ও মুসলিম)

নামাজের গুরুত্ব নিম্নরূপ:

  • নামাজ মুসলমানদেরকে আল্লাহর সাথে সংযুক্ত করে। নামাজের মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের প্রভুর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং তার কাছে নিজেদেরকে সমর্পণ করেন।
  • নামাজ মুসলমানদেরকে ঈমানকে শক্তিশালী করে। নামাজের মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের ঈমানকে দৃঢ় করেন এবং আল্লাহর প্রতি তাদের বিশ্বাসকে আরও মজবুত করেন।
  • নামাজ মুসলমানদেরকে সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হতে সাহায্য করে। নামাজের মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেন এবং সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন করতে অনুপ্রাণিত হন।
  • নামাজ মুসলমানদেরকে দুনিয়ার কষ্ট ও বিপদ থেকে রক্ষা করে। নামাজের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর রহমত ও সাহায্য লাভ করেন এবং দুনিয়ার কষ্ট ও বিপদ থেকে রক্ষা পান।

নামাজ মুসলমানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি মুসলমানদেরকে আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত রাখে, তাদের ঈমানকে শক্তিশালী করে এবং তাদেরকে সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হতে সাহায্য করে।